A.I: লেখকত্বের মৃত্যু ও নতুন পাঠপর্বের সংকেত
লেখার মান লেখকের জাত-বংশ দেখে বোঝা যায় না—লেখক যদি একখানা যন্ত্রও হয়, তাতে কিছু যায় আসে না। পাঠ যে মানে তৈরি করে, তার শিকড় গাঁথা থাকে পাঠকের চেতনা, অভিজ্ঞতা আর ব্যাখ্যার জালে—লেখকের থাকাটা সেখানে
রিটন খান
পাঠপ্রতিক্রিয়ার একটা স্বাভাবিক প্রবণতা হলো প্রশ্ন তোলা: কে লিখেছেন? অনেকেই তখন লেখকের নাম খুঁজে দেখেন, যেন নামেই গুণ নির্ধারিত হয়। লেখকের পরিচয়ই নাকি লেখার মানে ও সত্যাসত্যের মাপকাঠি! ধরুন, কেউ জানতে পারল আমি এক আমেরিকান টেক কোম্পানির এআই ইঞ্জিনিয়ার, তাহলে বড় ভাষা মডেল ঘিরে আমার ব্যাখ্যাগুলো হয়তো তারা বেশ গুরুত্ব দিয়ে পড়বে—এমনকি বিশ্বাস…



