বুলডোজার জিনিসটার সঙ্গে আমাদের প্রথম পরিচয় সাধারণত দূর থেকে দেখা, হলুদ রঙের এক ভারী যন্ত্র, সামনে লোহার ফলক, পেছনে ধুলো, আর তার চলার ভঙ্গিতে এমন এক নির্বিকার একরোখামি, যেন পৃথিবীকে সে কেবল দু’ভাগে ভাগ করে চিনতে শিখেছে, একদিকে যা দাঁড়িয়ে আছে, আর অন্যদিকে যা শিগগিরই আর দাঁড়িয়ে থাকবে না। ছোটবেলায় এ-রকম যন্ত্র দেখলে আমার কৌতূহলই হত বেশি, ভয় নয়। কারণ আমাদের শেখানো হয়েছিল, বুলডোজার উন্নয়নের জিনিস, রাস্তা করবে, মাটি কাটবে, জঙ্গল সরাবে, নতুন বাড়ি হবে, শহর বাড়বে। পরে বুঝেছি, উন্নয়নের অভিধানে অনেক সময় যে-শব্দগুলো মোলায়েম শোনায়, তাদের ভেতরে লুকিয়ে থাকে এক পুরোনো হিংস্র ব্যাকরণ। বুলডোজার তার মধ্যে একটি।
মর্ডান মিডিয়া না কর্পোরেট/স্টেট মিডিয়া পড়বো। মর্ডান ল' তাও?
আপনার এই লেখা বছর পাঁচ/ছয় আগে পেলে এক অনন্যসাধারণ গদ্যভাষা সম্ভবত অন্যভাবে লেখা হোতো। যদিও ভুটিয়া-নেপালী-বাংলা-রাজবংশী ভাষার এক অদ্ভুত মিশ্রণে দেবার্ঘ গোস্বামীর লেখা 'ঊনচারণ' নামের ছোট মাপের উপন্যাস (তবুও প্রকাশ)
বাংলা সাহিত্যে অন্য মাত্রা যোগ করতে পারে।
আপনার অবগতির জন্যে জানাই, এপারে পট পরিবর্তনের পরপরই বুলড্রোজার তার জরুরী কাজ অব্যাহত রেখেছে। আর আমার মতো বুড়োরা তাদের ডায়াস্টোলিক ডিসফাংশন ক্রমশ আরও খারাপের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
মর্ডান মিডিয়া না কর্পোরেট/স্টেট মিডিয়া পড়বো। মর্ডান ল' তাও?
আপনার এই লেখা বছর পাঁচ/ছয় আগে পেলে এক অনন্যসাধারণ গদ্যভাষা সম্ভবত অন্যভাবে লেখা হোতো। যদিও ভুটিয়া-নেপালী-বাংলা-রাজবংশী ভাষার এক অদ্ভুত মিশ্রণে দেবার্ঘ গোস্বামীর লেখা 'ঊনচারণ' নামের ছোট মাপের উপন্যাস (তবুও প্রকাশ)
বাংলা সাহিত্যে অন্য মাত্রা যোগ করতে পারে।
আপনার অবগতির জন্যে জানাই, এপারে পট পরিবর্তনের পরপরই বুলড্রোজার তার জরুরী কাজ অব্যাহত রেখেছে। আর আমার মতো বুড়োরা তাদের ডায়াস্টোলিক ডিসফাংশন ক্রমশ আরও খারাপের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।