সাহিত্য পুরস্কারের মঞ্চে লেখককে সাধারণত লিখতে হয় না। একটু হাসতে হয়, ধন্যবাদ দিতে হয়, সম্ভব হলে মানবসভ্যতার ভবিষ্যৎ নিয়ে দুটো কথা বলতে হয়। লেখাটা তিনি আগেই জমা দিয়েছেন। বিপত্তি শুরু হয় যখন পুরস্কার দেওয়ার পরে প্রশ্ন ওঠে, জমা দেওয়া লেখাটি আসলে কে লিখেছেন।
২০২৬ সালের কেইন পুরস্কার ঘিরে এখন সেই প্রশ্ন উঠেছে। ৬ অক্টোবর জিম্বাবুয়ের লেখক সিম্বারাশে স্টেইন কুন্দিজেজার ‘দ্য ব্লু ফাইটার’ গল্পটি পুরস্কার পায়। ১১ অক্টোবর দ্য আটলান্টিকে প্রকাশিত এক লেখায় ভাউহিনি ভারা জানান, AI শনাক্তকারী সফটওয়্যার প্যাংগ্রাম গল্পটির প্রায় পুরোটাই যন্ত্রের তৈরি বলে চিহ্নিত করেছে। পুরস্কার কর্তৃপক্ষ অনুসন্ধান শুরু করেছে। কুন্দিজেজা অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, গল্পটি তাঁর নিজের লেখা; এর খসড়া ও সম্পাদনার ইতিহাসও আছে। ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত কর্তৃপক্ষের কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হয়নি।
ফলে এই লেখকের বিচার বসানোর সুযোগ এখানে নেই। বরং ঘটনাটি সাহিত্যজগতের সামনে এমন কিছু প্রশ্ন রেখেছে, যেগুলোর উত্তর একজনকে দোষী বা নির্দোষ ঘোষণা করলেই পাওয়া যাবে না। আমরা একটি লেখাকে কেন বিশ্বাস করি? লেখকের নাম দেখে, ভাষার ভঙ্গি দেখে, পুরস্কারের সিল দেখে? আর বিশ্বাসে ফাটল ধরলে মেরামতের দায়িত্ব কাকে দিই?
সাহিত্যে যন্ত্রের প্রবেশ নিয়ে তর্ক করতে করতে আমাদের নিজেদের বিচারবুদ্ধির অবস্থাটাও একটু দেখা দরকার।
প্রথমেই একটা রুঢ় সত্য মেনে নেওয়া ভালো। মানুষ খুব খারাপ গদ্য লিখতে পারে। বহুদিন ধরেই পারে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আসার আগে পৃথিবীতে ক্লিশে, ফাঁপা দর্শন আর অকারণ উপমার কোনো দুর্ভিক্ষ ছিল না। অহেতুক কাব্যময় ভাষার ব্যবহার। মানুষেরও এই বদভ্যাস আছে।
আবার কোনো লেখায় সূক্ষ্ম বর্ণনা থাকলেই লেখাটি মানুষের তৈরি, সেটাও নিশ্চিত হয় না। ভাষার মডেল মানুষের বিপুল লেখা থেকে এসবের ধরন শিখতে পারে। বাজারের নাম ঠিক বলার সঙ্গে বাজারে গিয়ে মাছওয়ালার কাছে ঠকার অভিজ্ঞতার ফারাক আছে। কিন্তু কাগজে সেই ফারাক ধরিয়ে দেওয়া সব সময় সহজ হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।
প্যাংগ্রামের মতো শনাক্তকারী সফটওয়্যার লেখকের ঘরে বসে রচনা প্রক্রিয়া দেখেনি। সেটি লেখার মধ্যে পরিসংখ্যানগত লক্ষণ খুঁজে একটি শ্রেণিবিন্যাস করেছে মাত্র। কাজে লাগতে পারে। ভুলও হতে পারে। ফলটিকে কী গুরুত্ব দেওয়া হবে, তা নির্ভর করে কোন ধরনের লেখায়, কোন ভাষায়, কী পরীক্ষায় সেটি কতটা ভালো করেছে, তার ওপর। কম্পিউটারের পর্দায় একটি আত্মবিশ্বাসী সংখ্যা দেখালেই এই প্রশ্নগুলো উধাও হয় না।
২০২৬ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় প্যাংগ্রাম ভালো ফল করেছে। পরীক্ষায় ইংরেজি মাতৃভাষা নয়, এমন শিক্ষার্থীদের ২০১৯ সালের আগের ৪০টি একাডেমিক লেখার একটিকেও সেটি ভুল করে AI-এর লেখা বলেনি। ফলটি গুরুত্ব পাওয়ার যোগ্য। তবে একই প্রতিষ্ঠানের একটি অনুষদের গবেষণাধর্মী লেখা পরীক্ষা করা আর আফ্রিকান বা বাংলাদেশের ছোটগল্পের লেখকত্ব নির্ধারণ করা আলাদা কাজ। গবেষকেরাও শনাক্তকারীর ফলকে একমাত্র প্রমাণ ধরে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার পক্ষে যাননি।
আগের কিছু গবেষণায় অন্য শনাক্তকারীর মধ্যে ইংরেজি মাতৃভাষা নয়, এমন লেখকদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের পক্ষপাত পাওয়া গেছে। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন। বিগত প্রযুক্তির ব্যর্থতার অজুহাতে আধুনিক সব উদ্ভাবনকে নাকচ করে দেওয়া যেমন সমীচীন নয়, তেমনই কোনো একটি প্রযুক্তির সাফল্য দেখে সমস্ত ভাষা বা সাহিত্যশৈলীর ওপর সেটির শতভাগ নির্ভরযোগ্যতা মেনে নেওয়াও সঠিক নয়। প্রযুক্তির বিজ্ঞাপন আর প্রযুক্তির মূল্যায়নের কাজ আলাদা রাখা বুদ্ধিমানের।
সন্দেহ উঠলে খোঁজ নেওয়া যাবে। সেই খোঁজে লেখকের উত্তর, খসড়া, সম্পাদকের সঙ্গে কাজের ইতিহাস, আগের লেখার ধরন বিবেচনায় আসতে পারে। তবে বিষয়, সময় ও সাহিত্যরীতি বদলালে একই লেখকের ভাষাও বদলায়; শৈলীর ফারাক নিজে অসততার প্রমাণ নয়। অভিযোগ প্রকাশ্যে তোলার আগে তার ভিত্তি কতটা শক্ত, সেটাও দেখতে হবে। একজন লেখককে সন্দেহ করা যত সহজ, তাঁর নামের সঙ্গে লেগে থাকা সন্দেহ পরে পরিষ্কার করা তত সহজ নয়।
ভাউহিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যে ধরনের চরিত্র আর আবেগকে আমরা গভীর মানবিক সাহিত্য বলে চিনে ফেলি, সেগুলোর কতটা আসলে বহু ব্যবহারে পরিচিত হয়ে যাওয়া ছক। আফ্রিকার গল্পে অসহায় বাবা, সংসার টেনে নেওয়া মা, অভাবের ভেতর টিকে থাকার শিক্ষা হাজির হলে পাঠকের মুগ্ধতা খুব দ্রুত কাজ করে।
এই অভিজ্ঞতাগুলো মানুষের জীবনে আছে। এগুলো নিয়ে ভালো সাহিত্যও হয়। সমস্যা তৈরি হয় যখন একটি মহাদেশের জীবন বোঝার জন্য পাঠকের কল্পনায় আগে থেকেই একটা ধারণা বরাদ্দ থাকে। গল্প এসে সেই ঘরগুলো পূরণ করলে তাকে বলা হয় সত্যিকারের কণ্ঠস্বর। অন্য রকম জীবন নিয়ে এলে তাকে নিজের পরিচয় একটু বুঝিয়ে বলতে হয়।
ধরা যাক, কোনো আন্তর্জাতিক সংকলনে বাংলাদেশের গল্প যাচ্ছে। সেখানে বন্যা থাকবে, শ্রমিকের কষ্ট থাকবে, পরিবারের চাপ থাকবে। থাকতেই পারে। কিন্তু একটি মেয়ে মহাকাশ নিয়ে ভাবছে, একজন অবসরপ্রাপ্ত মানুষ অনলাইনে দাবা খেলতে গিয়ে অদ্ভুত বন্ধুত্বে জড়াচ্ছেন, কিংবা এক দোকানি নিজের ব্যর্থ প্রেম নিয়ে হাস্যকর মিথ্যা বলছেন, এসবও বাংলাদেশের জীবন। প্রত্যেক চরিত্রকে দেশের সমগ্র দুর্ভাগ্যের প্রতিনিধি হয়ে চাকরি করতে হবে কেন?
বাইরের পাঠকের বোঝার সুবিধার জন্য যখন মানুষকে বারবার একটি পরিচিত ভূমিকায় হাজির করা হয়, তখন সাহিত্য একসময় পর্যটন দপ্তরের কাজ বলে মনে হতে পারে।
বাংলা লেখালেখিতেও আমরা অনেক সময় লেখাকে ভালো করার নামে তার সব খসখসে জায়গা ঘষে তুলে ফেলি। যেন লেখক প্রকাশকের সঙ্গে প্রথম দেখা করতে এসেছেন এবং কিছুতেই খারাপ ধারণা দিতে চান না। সম্পাদনার প্রয়োজন আছে। অস্পষ্ট বাক্য স্পষ্ট করা, ভুল তথ্য ঠিক করা, অকারণ পুনরাবৃত্তি বাদ দেওয়া লেখাকে শক্ত করে। তবে একটি মানুষের ভাষায় যে সামান্য বেঁকেচুরে চলা, তার সবটাই ত্রুটি ধরে নিলে কণ্ঠস্বর হারাতে পারে। যিনি কথা বলতে বলতে হঠাৎ থামেন, যাঁর রাগ হাসির মধ্যে বের হয়, যিনি বড় শব্দের কাছে একটু দূরত্ব রাখেন, তাঁর লেখাকে অন্য কারও পরিপাটি গদ্যে বদলে দিলে বানান ঠিক থাকবে; মানুষটিকে খুঁজে পেতে অসুবিধা হবে।
এ কারণে ইচ্ছা করে ভুল বানান, ভাঙা বাক্য আর অসংলগ্নতা ছড়ানোও হাস্যকর সমাধান। লেখককে মানবিকতার প্রমাণ হিসেবে নিজের ভাষা নষ্ট করতে হবে কেন? ভালো লেখা মসৃণ হতে পারে। খসখসে হতে পারে। সন্দেহের শর্টকাট যত বাড়ে, মন দিয়ে পড়ার কাজ তত সহজে ফাঁকি দেওয়া যায়।
আরও একটা বিপদ আছে। AI-এর লেখা ধরতে গিয়ে যদি আমরা কয়েকটি বাক্যরীতিকে নিষিদ্ধ চিহ্ন বানিয়ে ফেলি, তবে মানুষও লিখতে বসে সারাক্ষণ নিজেকে শার্লকহোমস ভাবতে পারে। এই উপমা দিলে সন্দেহ হবে কি? এই শব্দটা বেশি পরিপাটি হলো কি? একটি লেখা তৈরির পাশে তখন আরেকটি অদৃশ্য লেখা চলবে: আমি মানুষ, অনুগ্রহ করে বিশ্বাস করুন। সাহিত্যচর্চার জন্য পরিবেশটা খুব হাস্যকর শোনায়।
এখানে কেউ প্রশ্ন করতেই পারেন, লেখা ভালো হলে সেটি কীভাবে তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে এত মাথাব্যথা কেন? প্রশ্নটি উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। একজন পাঠক কোনো যন্ত্রের লেখা গল্প পড়েও আনন্দ পেতে পারেন। তাঁর আনন্দকে মিথ্যা বলার অধিকার কারও নেই। কিন্তু মানুষের সৃজনশীল কাজকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষিত উদ্দেশ্যে আয়োজিত পুরস্কারে লেখাটি তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে নিয়ম আছে, অন্য প্রতিযোগী আছেন, পাঠকের প্রত্যাশা আছে।
সেই নিয়মে ‘AI ব্যবহার’ কথাটার মানেও পরিষ্কার করতে হবে। বানান দেখা, গবেষণার সূত্র খোঁজা, নিজের লেখা অনুবাদ করানো, অনুচ্ছেদের বিকল্প চাওয়া এবং সম্পূর্ণ গল্প তৈরি করানোয় লেখকের ভূমিকা এক নয়। আবার নিজের ভাবনা থেকে শুরু করেছেন বলেই পরে যন্ত্রে তৈরি সব বাক্য নিঃশর্তে তাঁর নিজস্ব রচনা হয়ে যায়, এমন সহজ হিসাবও চলে না। কোন সাহায্য গ্রহণযোগ্য, কোনটি জানাতে হবে, কোন ব্যবহার প্রতিযোগিতার শর্ত ভাঙবে, তা আগেই লেখা থাকা দরকার।
AI-এর সহযোগিতায় তৈরি লেখার জন্য আলাদা মূল্যায়ন বা বিভাগও থাকতে পারে। মানুষ ও যন্ত্রের সহযোগিতার কাজ নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা হতে পারে। আড়াল করার প্রয়োজন কমলে মূল্যায়নের প্রশ্নটিও স্পষ্ট হয়। পাঠক জানতে পারেন তিনি কী পড়ছেন; বিচারক জানেন তাঁকে কোন কাজের কৃতিত্ব বিচার করতে বলা হচ্ছে।
খসড়া দেখতে চাওয়াও যুক্তিসংগত হতে পারে, তবে তার ব্যবস্থায় সতর্কতা লাগবে। সবাই একই সফটওয়্যারে লেখেন না। কেউ খাতায় লেখেন, কেউ পুরোনো ফাইল মুছে ফেলেন, কেউ ফোনে টুকরো নোট রাখেন। নিখুঁত ডিজিটাল ইতিহাস না থাকাকে অপরাধের প্রমাণ বানালে নতুন এক শ্রেণিবিভাগ তৈরি হবে। লেখকের অপ্রকাশিত খসড়া কারা দেখবেন, কত দিন রাখবেন, কোনো বাণিজ্যিক সফটওয়্যারে পাঠাবেন কি না, এসবও আগে ঠিক করা দরকার। মানবিক বিচার বললে তার ভেতরে এই সাধারণ শালীনতাগুলো থাকা চাই। ভালো উদ্দেশ্য নিয়ে শুরু করা অনুসন্ধানও অসাবধান হলে কারও ব্যক্তিগত সৃজনপ্রক্রিয়াকে অযথা উন্মুক্ত করে দিতে পারে।
প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সাহিত্য জগতের অবিশ্বাসের যথেষ্ট কারণ থাকতে পারে। লেখকের শ্রমের মূল্য, প্রশিক্ষণের উপাদান সংগ্রহের পদ্ধতি, ভাষার বৈচিত্র্য এবং কোম্পানির ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন করা জরুরি। সেই প্রশ্নের জোর বাড়ে যখন প্রশ্নকারী প্রযুক্তিটি কী করতে পারে, কোথায় ভুল করে, কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, সে সম্পর্কে জানেন। পছন্দ না করার কারণে না জানার সিদ্ধান্ত নিলে প্রতিপক্ষের বিজ্ঞাপনই তথ্যের প্রধান উৎস হয়ে থাকে।
সাংস্কৃতিক সূক্ষ্মতার অজুহাতে যন্ত্রের সম্ভাবনাকে যেমন ছোট করা ভুল, তেমনি ছক মিললেই লেখককে অসৎ ভাবা অন্যায়। সাহিত্য প্রতিষ্ঠানের উচিত বাণিজ্যভিত্তিক শনাক্তকারীর ওপর চোখ বন্ধ করে নির্ভর না করে নিজেদের স্বাধীন বিচারক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত ধারণা জাগ্রত রাখা।
কাজেই সম্পাদক ও বিচারকদের AI-এর লেখা পড়া, তার পরিবর্তন বোঝা এবং পরীক্ষার সীমা শেখার প্রয়োজন আছে। পাশাপাশি ভালো সাহিত্য পড়ার পুরোনো কাজটিও আরও মন দিয়ে করতে হবে। চরিত্রের মধ্যে বিরোধ আছে কি? ভাষায় অভিজ্ঞতার নতুন কোনো দিক ফুটে উঠছে, নাকি পরিচিত আবেগের নাম বলেই লেখা থেমে যাচ্ছে? একটি অনুচ্ছেদ বাদ দিলে গল্পে সত্যিই কিছু কমে কি? প্রশ্নগুলো অনেক দিনের। নতুন পরিস্থিতিতে এগুলোর গুরুত্ব বেড়েছে।
কেইন পুরস্কারের অনুসন্ধান যে ফলেই পৌঁছাক, এই দায়িত্ব থেকে সাহিত্যজগতের ছুটি মিলবে না। অভিযোগ সত্য হলে লেখকের দায় ও প্রতিষ্ঠানের নিয়ম সামনে আসবে। অভিযোগ ভুল হলে সন্দেহ প্রকাশের পদ্ধতি এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রতি দায়িত্ব আরও জরুরি হয়ে উঠবে। দুই সম্ভাবনাই এখন খোলা রাখা সৎ পাঠের অংশ।
পুরস্কারের মঞ্চে চেকটা বড় দেখালেই প্রতিষ্ঠান বড় হয় না। কী পড়ে মুগ্ধ হলো, কী কারণে সন্দেহ করল, কাকে কথা বলার সুযোগ দিল, এসবের উত্তরেও তার মর্যাদা তৈরি হয়। সেই উত্তর দিতে গিয়ে যদি দেখা যায় বিচারকের নিজের রুচিই বহু ব্যবহারে তৈরি একটি ছক অনুসরণ করছে, তবে সফটওয়্যার আপডেটের পাশাপাশি আরেকটু পড়াশোনাও লাগবে।
সূত্র ও পাঠ সংকেত
ভাবনার সূচনা ভাউহিনি ভারার ‘Yet Another Literary Prizewinner Seems to Be AI’, দ্য আটলান্টিক, ১১ অক্টোবর ২০২৬। প্রাসঙ্গিক পরবর্তী সংবাদ ও গবেষণার সূত্র নিচে দেওয়া হলো।
কেইন পুরস্কার কর্তৃপক্ষের ১১ অক্টোবরের বিবৃতি ও ২০২৬ সালের বিজয়ী পরিচিতি।
কুন্দিজেজার অভিযোগ অস্বীকার এবং লেখার ইতিহাস সম্পর্কে তাঁর বক্তব্য, NewZimbabwe, ১৪ অক্টোবর ২০২৬। তাঁর দেওয়া খসড়ার বিবরণ এখানে স্বাধীনভাবে প্রমাণিত তথ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি।
Van Vlasselaer, Van Droogenbroeck ও Spruyt, AI শনাক্তকারী নিয়ে তুলনামূলক গবেষণা, ২৯ জুন ২০২৬। পরীক্ষার বিষয় একাডেমিক ইংরেজি লেখা; ফলকে সব ভাষা ও সাহিত্যধারায় প্রযোজ্য ধরে নেওয়া যায় না।
Liang ও সহলেখক, ‘GPT detectors are biased against non-native English writers’, ২০২৩। এই গবেষণায় প্যাংগ্রাম পরীক্ষা করা হয়নি।


