পিঞ্জরে বসিয়া শুককথা—কমলকুমার মজুমদারকে পড়া মানেই নিজেকে প্রশ্নের পাঁকে ডুবিয়ে দেওয়া, আর সেই পাঁক থেকে খালি গায়ে উঠে আসার অভিনয়।
কমলকুমার তো লেখকের লেখক নন, পাঠকের পাঠকও নন—তিনি সাহিত্যের নির্মম সাধক। তাঁর উপন্যাস মানে আগুনে ঝাঁপ।
কমলকুমার মজুমদার সম্পর্কে লিখতে গিয়ে কেউ যদি ভাবেন, তিনি কেবল “জটিল বাক্যের রামগরুড়” কিংবা “ভাষার অ্যাসিড হাউজ ডান্সার”—তাহলে ভাবুন, কারণ আপনি এখনও কেবল গুগলের চতুর্থ পাতায় রয়েছেন। তিনি সাহিত্য রচনার সময় যে রকম বাক্য রচনা করতেন, তাতে দাঁত থাকতে দাঁতের মূল্য বোঝা দায়। পিঞ্জরে বসিয়া শুককথা পড়া মানে শুধুই একখানা উপন্যাস পড়া নয়; একখানা ঘূর্ণায়মান…



