মঙ্গলবার সকাল
রিটন খানের ছোট গল্প
অরুণবাবুর একটি বিশেষ গুণ ছিল। অন্যের জীবন নিয়ে কী করা উচিত, সে বিষয়ে তিনি খুব দ্রুত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারতেন।
নিজের জীবন নিয়ে অবশ্য ততটা নয়।
এই পার্থক্যটুকু তাঁর চোখে পড়েনি, যেমন নিজের মাথার মাঝখানে টাক পড়লে প্রথম দিকে মানুষের চোখে পড়ে না। অন্যেরা অনেক আগে দেখতে পায়।
আমাদের অফিসে অরুণবাবু আমার পাশের টেবিলে বসতেন। মাঝখানে একটি তিন ড্রয়ারের লোহার ফাইল-ক্যাবিনেট, তার উপরে একটা মরা মানিপ্ল্যান্ট, অফিসের প্রশাসনিক বিভাগ থেকে বহু বছর আগে দেওয়া প্লাস্টিকের কাপের মধ্যে বসানো। গাছটি কে জল দিত জানা নেই। সম্ভবত কেউই দিত না। তবু সেটি সম্পূর্ণ মরেওনি। সরকারি প্রতিষ্ঠানের কোনও কোনও কর্মচারীর মতো অল্প প্রাণ নিয়ে টিকে ছিল।
অরুণবাবুর বয়স পঁয়তাল্লিশের কাছাকাছি। স্ত্রী, একটি মেয়ে, একটি ছেলে, নিউটাউনে ফ্ল্যাট, হাউজিং লোন, মেয়ের স্কুল, ছেলের হাঁপানি এবং শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে সামান্য মনোমালিন্য, এইসব নিয়ে তাঁর জীবন মোটামুটি প্রতিষ্ঠিত।
অফিসে দুপুরের খাবারের সময় আমরা পাঁচ-ছয়জন গোল হয়ে বসতাম। আমাদের অফিসে গোল টেবিল ছিল না, ফলে চৌকো টেবিল ঘিরেই গোল হয়ে বসার চেষ্টা করতে হত। জীবনের অধিকাংশ সমঝোতা বোধহয় এই রকম।
একদিন কথায় কথায় মিতা বলল তার এক বান্ধবীর কথা।
স্বামী নাকি রেগে গেলে জিনিসপত্র ছোড়ে। একদিন স্ত্রীর গায়েও হাত তুলেছে। পরে কান্নাকাটি করে ক্ষমা চেয়েছে। মাসখানেক ভাল থেকেছে। তারপর আবার একই ব্যাপার।
অরুণবাবু আলুর দমের মধ্যে রুটি ডুবিয়ে বললেন,
‘একবার গায়ে হাত তুলেছে, ওই দিনই চলে যাওয়া উচিত ছিল।’
মিতা বলল, ‘দুটো বাচ্চা আছে।’
‘তা থাক।’
‘মেয়েটা চাকরি করে না।’
‘চাকরি করবে।’
‘বাপের বাড়ি নেবে না।’
অরুণবাবু এবার একটু বিরক্ত হলেন। তাঁর মনে হল আমরা একটি অতি সরল সমস্যাকে অকারণে দর্শনের প্রশ্ন বানিয়ে ফেলছি।
‘দেখুন, আত্মসম্মান বলে একটা জিনিস আছে।’
আমরা সবাই মাথা নাড়লাম। আত্মসম্মানের কথায় মাথা না নাড়লে নিজেকেই কেমন সন্দেহজনক মনে হয়।
অরুণবাবু বললেন, ‘আমার স্ত্রীকে কেউ হাত তুললে সে এক মিনিটও থাকবে না। আমিও থাকতে বলব না।’
কথাটা সত্যি।
অরুণবাবুর স্ত্রীকে অবশ্য কোনওদিন এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়নি।
পরের মঙ্গলবার সকাল দশটা দশ মিনিটে অরুণবাবুর জীবনের একটি সামান্য পরিবর্তন হল।
আমাদের বিভাগে নতুন ভাইস প্রেসিডেন্ট এসেছেন। নাম বিক্রম সিং। মানুষটি খুব লম্বা নন, কিন্তু তাঁর কণ্ঠস্বর তাঁর চেহারার ঘাটতি পুষিয়ে দিত। মিটিংয়ে তিনি কথা বললে পাশের কনফারেন্স রুমের লোকেরাও নিজেদের ভুল স্বীকার করতে ইচ্ছে করত।
সেদিন একটি রিপোর্টে ভুল ছিল।
ভুলটি অরুণবাবুর ছিল কি না, সে নিয়ে পরে অনেক আলোচনা হয়েছে। আমার ধারণা পুরোটা তাঁর ছিল না। কিন্তু কোনও অফিসে ভুলের প্রকৃত মালিক খুঁজে পাওয়া অনেকটা যৌথ পরিবারের পুরনো প্রেসার কুকারের মালিক খোঁজার মতো। কেউ একসময় কিনেছিল, এখন সবাই ব্যবহার করে।
বিক্রম সিং স্ক্রিনে রিপোর্টটি খুলে বললেন,
‘Who did this?’
অরুণবাবু বললেন, ‘I prepared the final version.’
তারপর প্রায় সাত মিনিট ধরে তাঁকে সকলের সামনে অপমান করা হল।
সমালোচনা নয়।
সমালোচনায় কাজের কথা থাকে। এখানে মূলত অরুণবাবুর বুদ্ধি, মনোযোগ, অভিজ্ঞতা এবং চাকরিতে থাকার নৈতিক অধিকার নিয়ে প্রশ্ন উঠল।
আমরা সবাই নিজেদের ল্যাপটপের দিকে তাকিয়ে ছিলাম।
আমি একটি ফাঁকা এক্সেল শিট খুলে রেখেছিলাম। এত মন দিয়ে সেই ফাঁকা শিট দেখছিলাম যে মনে হচ্ছিল ভারতের আগামী অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ সেখানে লেখা আছে।
বিক্রম সিং শেষদিকে বললেন,
‘Do you understand?’
অরুণবাবু একটু চুপ করে রইলেন।
আমি তাঁর মুখের দিকে তাকাইনি। তাকালে মানুষকে সাহায্য করতে হয়, অন্তত চোখ দিয়ে। অফিসে সবসময় সে সুযোগ থাকে না।
তারপর অরুণবাবু বললেন,
‘Understood.’
মিটিং শেষ হয়ে গেল।
দুপুরে তিনি আমাদের সঙ্গে খেতে এলেন না।
বিকেল চারটার দিকে দেখি টেবিলে বসে আছেন। স্ক্রিনে কাজ খোলা, কিন্তু কিছু করছেন না।
আমি বললাম, ‘চা খাবেন?’
বললেন, ‘না।’
পাঁচ মিনিট পরে নিজেই বললেন,
‘আমার উঠে চলে যাওয়া উচিত ছিল।’
আমি কিছু বললাম না।
তিনি আবার বললেন,
‘ঠিক ওই সময়। সকলের সামনে। বলা উচিত ছিল, you cannot talk to me like that.’
এবারও কিছু বললাম না।
অরুণবাবু জানলার বাইরে তাকিয়ে বললেন,
‘শুক্রবার মেয়ের স্কুলের পেমেন্ট।’
তারপর একটু হেসে যোগ করলেন,
‘ব্যাংক তো আত্মসম্মান দিয়ে মর্টগেজ নেয় না।’
পরদিন তিনি যথাসময়ে অফিসে এলেন।
সকাল নটা দুই মিনিট।
বিক্রম সিং নটা চল্লিশে এলেন।
দুজনের দেখা হল করিডরে।
বিক্রম বললেন, ‘Morning, Arun.’
অরুণবাবু বললেন, ‘Morning.’
ঘটনা শেষ।
অন্তত বাইরে থেকে।
মাস দুয়েক পরে আরেকটি ঘটনা ঘটল।
একদিন সকালে অফিসের পার্কিং লটে আমি একটি গাড়ির মধ্যে একজন মহিলাকে বসে থাকতে দেখি। গাড়িটি পুরনো হোন্ডা সিভিক। পিছনের সিটে দুটো বড় ব্যাগ, একটি কম্বল, তিন বোতল জল, একটা ছোট প্লাস্টিকের বাক্সে টুথব্রাশ।
মহিলাকে আমি চিনি।
আমাদের অ্যাকাউন্টস বিভাগে কাজ করেন। নাম রেখা।
তিনি আমাকে দেখে এমনভাবে হাসলেন যেন তাঁর গাড়ির পিছনে কম্বল থাকা পৃথিবীর অত্যন্ত স্বাভাবিক ব্যাপার।
আমি কিছু জিজ্ঞাসা করিনি।
সেদিন বিকেলে ক্যান্টিনে মিতার কাছে শুনলাম তিন মাস ধরে তিনি গাড়িতে থাকছেন।
সম্পর্ক ভেঙেছে। যে অ্যাপার্টমেন্টে থাকতেন তার ভাড়া একা দেওয়া সম্ভব হয়নি। নতুন জায়গার ডিপোজিট দেওয়ার টাকা নেই। বন্ধুর বাড়িতে কয়েক সপ্তাহ ছিলেন, তারপর বন্ধুর মা এসেছেন ভারত থেকে। ফলে গাড়ি।
প্রতিদিন ভোরে কাছের জিমে গিয়ে গোসল করেন।
তারপর অফিস।
এই কারণেই তিনি সবসময় অফিসে প্রথম আসেন।
সকাল আটটা পনেরোতে তাঁর ডেস্কের বাতি জ্বলে।
আগে আমরা ভাবতাম খুব পরিশ্রমী মহিলা।
এখনও পরিশ্রমী।
শুধু কারণটি একটু আলাদা।
অরুণবাবু খবরটা শুনে অনেকক্ষণ চুপ করে রইলেন।
তারপর বললেন,
‘কাউকে তো বলতে পারত।’
মিতা বলল, ‘কাকে?’
অরুণবাবু আর কিছু বললেন না।
মানুষের জীবনে ‘কাকে’ শব্দটি বড় বিপজ্জনক। অনেক উপদেশ তার সামনে এসে একটু থেমে যায়।
এর কিছুদিন পরে অরুণবাবুর ছোট বোন সুপর্ণা এক সন্ধ্যায় তাঁর বাড়িতে এল।
আমি ঘটনাটি পরে অরুণবাবুর কাছ থেকেই শুনেছি।
সুপর্ণার বিয়ে হয়েছে এগারো বছর। স্বামী ব্যবসা করে। বাইরে থেকে ভদ্র, উৎসবে পাঞ্জাবি পরে, পাড়ার দুর্গাপূজায় চাঁদা দেয়, বয়স্কদের প্রণাম করে। কিছু মানুষ সামাজিক জীবনে এত ভাল ব্যবহার করে যে তাদের ব্যক্তিগত জীবনের কথা শুনলে প্রথমে আমাদের তথ্যটাকেই অসভ্য মনে হয়।
সুপর্ণার স্বামী তাকে মারে।
নিয়মিত নয়।
এই ‘নিয়মিত নয়’ কথাটিই সমস্যা।
যদি প্রতিদিন মারত, সিদ্ধান্ত সহজ হত।
কিন্তু সে কখনও ছয় মাস খুব ভাল থাকে। ছেলেকে নিয়ে বেড়াতে যায়, স্ত্রীর জন্মদিনে শাড়ি কিনে দেয়, রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে চা বানায়।
তারপর কোনও এক রাতে রাগ হয়।
একবার টাকা নিয়ে।
একবার ফোন নিয়ে।
আরেকবার কী নিয়ে হয়েছিল সুপর্ণারও মনে নেই।
সেই সন্ধ্যায় অরুণবাবুর স্ত্রী রান্নাঘরে ডাল গরম করছিলেন। সুপর্ণা সোফায় বসে ছিল। তার বাঁ হাতের কবজির কাছে কালশিটে।
অরুণবাবু বললেন,
‘আজই থেকে যা।’
সুপর্ণা মাথা নাড়ল।
‘পারব না।’
‘কেন?’
‘রুদ্রর কাল পরীক্ষা।’
অরুণবাবু প্রথমে ভেবেছিলেন বোন পাগল হয়ে গেছে।
স্বামী মারে, আর ছেলে পরীক্ষা দেবে বলে সে বাড়ি ফিরবে?
মানুষের জীবন বাইরে থেকে দেখলে বহু সিদ্ধান্তই এই রকম হাস্যকর দেখায়।
সুপর্ণা বলল,
‘ও এবার খুব ভয় পেয়েছে। বলেছে আর হবে না।’
অরুণবাবু চুপ করে রইলেন।
এই বাক্যটি তিনি আগে শুনেছেন।
মিতার বান্ধবীর গল্পে।
তখন উত্তরটি তাঁর জানা ছিল।
এবার তিনি বললেন,
‘আগেও তো বলেছে।’
সুপর্ণা মাথা নিচু করে বলল,
‘হ্যাঁ।’
‘তাহলে?’
‘জানি না।’
এই ‘জানি না’ অরুণবাবুকে অস্বস্তিতে ফেলল।
কারণ এর বিরুদ্ধে কোনও যুক্তি দেওয়া যায় না।
সুপর্ণা বলল,
‘আমার নিজের টাকা নেই। তুমি আমাকে রাখবে, জানি। কিন্তু কতদিন? রুদ্রর স্কুল ওখানে। আমার শ্বশুরবাড়ির লোক ওকেই সাপোর্ট করবে। ও বলেছে ছেলে নিয়ে বের হলে কোর্টে যাবে। মা জানলে অসুস্থ হয়ে পড়বে। আর…’
সে থামল।
‘আর কী?’
‘আমি এখনও ওকে ভালোবাসি বোধহয়।’
এই কথায় অরুণবাবু রেগে যেতে পারতেন।
রাগলেন না।
মানুষ সাধারণত এখানেই সবচেয়ে বেশি রাগে, যেখানে অন্য মানুষের দুর্বলতা তাদের যুক্তিকে অপমান করে।
তিনি শুধু বললেন,
‘আজ রাতটা অন্তত থেকে যা।’
সুপর্ণা থেকে গেল।
পরদিন সকাল সাড়ে ছয়টায় উঠে ছেলের জন্য ডিমসেদ্ধ করল। অরুণবাবুর স্ত্রী বললেন,
‘ওখানে পাঠাতে হবে না। এখানে থাক।’
সুপর্ণা কিছু বলল না।
সকাল আটটার সময় তার স্বামীর ফোন এল।
সে প্রথমে ধরেনি।
তারপর ধরল।
বারান্দায় গিয়ে প্রায় কুড়ি মিনিট কথা বলল।
নটা নাগাদ ব্যাগ গুছিয়ে ফেলল।
অরুণবাবু বললেন,
‘তুই যাচ্ছিস?’
সুপর্ণা বলল,
‘হ্যাঁ।’
অরুণবাবু অনেক কথা বলতে চেয়েছিলেন।
একটিও বললেন না।
শুধু গাড়ি বার করলেন।
বোনকে বাড়ি পৌঁছে দিলেন।
ফেরার সময় একটি পেট্রল পাম্পে দাঁড়িয়ে কফি কিনলেন। কফিটা এত গরম ছিল যে প্রথম চুমুকে জিভ পুড়ে গেল।
সেই পোড়া জিভ নিয়ে তিনি বাড়ি ফিরলেন।
এরপর প্রায় এক বছর কেটে গেল।
সুপর্ণা আর দুবার ভাইয়ের বাড়িতে এসেছিল।
একবার তিন দিনের জন্য।
একবার মাত্র এক রাত।
দ্বিতীয়বার চলে যাওয়ার সময় অরুণবাবু তাকে আর কিছু বলেননি।
শুধু গাড়ির চাবি হাতে নিয়ে বলেছিলেন,
‘চল।’
দশ বছর পরে কেউ যদি এই গল্প শোনে, সে হয়তো বলবে, সুপর্ণার প্রথম রাতেই চলে যাওয়া উচিত ছিল।
কথাটি ভুল নয়।
কিন্তু সেই দশ বছর এক রাত ছিল না।
তার মধ্যে স্কুলের পরীক্ষা ছিল, পুজো ছিল, ছেলের জ্বর ছিল, ব্যাংকের কিস্তি ছিল, শ্বশুরের মৃত্যু ছিল, দুটো খুব ভাল বেড়ানো ছিল, অসংখ্য ক্ষমা ছিল, কয়েকটা সত্যিকারের সুখের দিনও ছিল।
আর ছিল প্রতিবারের সেই ক্ষীণ সম্ভাবনা, এবার হয়তো সত্যিই বদলাবে।
আমরা যারা পরে গল্প শুনি, আমাদের একটি বড় সুবিধা আছে।
আমরা জানি পরের অধ্যায়ে কী ঘটেছে।
চরিত্রটি জানে না।
এক শুক্রবার সন্ধ্যায় অরুণবাবু আর আমি অফিস থেকে বের হচ্ছিলাম। পার্কিং লটে রেখার সেই পুরনো হোন্ডা সিভিকটি আর নেই।
বললাম, ‘নতুন গাড়ি নিয়েছে?’
অরুণবাবু বললেন, ‘না। অ্যাপার্টমেন্ট পেয়েছে।’
‘ও।’
‘একজন সহকর্মী ডিপোজিটের টাকা ধার দিয়েছে।’
আমি বললাম, ‘ভাল হয়েছে।’
অরুণবাবু গাড়ির দরজা খুলে আবার বন্ধ করলেন।
কী যেন মনে পড়েছে।
বললেন,
‘জানো, আগে আমি ভাবতাম মানুষের চরিত্র বোঝা খুব সহজ।’
আমি হেসে বললাম, ‘এখন?’
তিনি বললেন,
‘এখনও সহজ। অন্য মানুষেরটা।’
তারপর গাড়িতে উঠে বসলেন।
আমি হেসেছিলাম।
তিনি হাসেননি।
কিছুক্ষণ স্টিয়ারিংয়ে হাত রেখে বসে থেকে বললেন,
‘আমরা কত যুদ্ধ জিতে বসে আছি, যেগুলো আমাদের কোনওদিন লড়তেই হয়নি।’
আমি কিছু বললাম না।
অরুণবাবু ইঞ্জিন চালু করলেন।
সেদিন শুক্রবার।
মেয়ের স্কুলের পেমেন্ট হয়ে গেছে।
মর্টগেজও।
সোমবার সকাল নটা নাগাদ তিনি আবার সেই অফিসে যাবেন যেখানে একদিন সকলের সামনে তাঁকে অপমান করা হয়েছিল।
বিক্রম সিং হয়তো বলবেন, ‘Morning, Arun.’
অরুণবাবুও বলবেন, ‘Morning.’
এইটুকু দেখে কেউ যদি তাঁকে কাপুরুষ ভাবে, সে ভুলও করতে পারে।
আবার ঠিকও হতে পারে।


