আমি তো ভেবেছিলাম, ফেসবুকে দু-চার লাইন লিখব, মাঝে মাঝে একটা ছবি দেব, কোথাও দাঁড়িয়ে থাকলে ছেলে ছবি তুলে দিলে সেটাও রেখে দেব, আর নিজের মতো করে নিঃশব্দে বেঁচে থাকব। নিঃশব্দে বাঁচা কথাটা শুনতে যত শান্ত, কাজে তত কঠিন। বিশেষ করে ফেসবুক নামক মহাভারতের কুরুক্ষেত্রে। এখানে সবাই অর্জুন, সবাই কৃষ্ণ, সবাই দ্রৌপদী, আর মাঝেমধ্যে দেখি দুর্যোধনও নিজের টাইমলাইনে লিখছে, “ন্যায় আমার পাশে।”
দুঃখজনক। আমার এটুকু বিশ্বাস আছে— যারা দু'-চার লাইনে সংক্ষিপ্ত পোস্ট বা কপি-পেস্ট করেন তারা সহজে ১৫০০-২০০০ বা ৩০০০-৪০০০ শব্দে কিছু লিখতে পারবেন না— কারণ ওটা করতে গেলেই ধরা পড়ে যাবেন। তাৎক্ষণিক উত্তেজনা সাময়িক বাহবা প্রাপ্তির সহজ উপায় হতে পারে, কিন্তু এই উপায় আমাদেরকে কোনো মহৎ লক্ষ্যে পৌঁছে দেয় না। আর যদি জীবনের অভিমুখ থেকে উদারতা-মহত্ব এসব বিযুক্ত হয়ে যায়, দু'-চারদিনের জন্য সাংসারিক সমস্যা দূর হতে পারে কিন্তু দুঃখ কোনদিন দূর হবে না।
দুঃখজনক। আমার এটুকু বিশ্বাস আছে— যারা দু'-চার লাইনে সংক্ষিপ্ত পোস্ট বা কপি-পেস্ট করেন তারা সহজে ১৫০০-২০০০ বা ৩০০০-৪০০০ শব্দে কিছু লিখতে পারবেন না— কারণ ওটা করতে গেলেই ধরা পড়ে যাবেন। তাৎক্ষণিক উত্তেজনা সাময়িক বাহবা প্রাপ্তির সহজ উপায় হতে পারে, কিন্তু এই উপায় আমাদেরকে কোনো মহৎ লক্ষ্যে পৌঁছে দেয় না। আর যদি জীবনের অভিমুখ থেকে উদারতা-মহত্ব এসব বিযুক্ত হয়ে যায়, দু'-চারদিনের জন্য সাংসারিক সমস্যা দূর হতে পারে কিন্তু দুঃখ কোনদিন দূর হবে না।