মেক্সিকোর সেই স্কুলটায় দুই হাজার ছাত্র, তাদের ভেতরে মাত্র পঁয়ত্রিশটা মেয়ে, সেই সংখ্যার ভেতরে দাঁড়িয়ে থাকা একটা শরীর, একটা কণ্ঠ, একটা চোখ, যাকে তখনও কেউ ইতিহাস বলে ডাকে নি—ফ্রিদা কাহলো। পনেরো বছর বয়সে যখন আলেহান্দ্রো গোমেস আরিয়াসের সঙ্গে প্রথম দেখা, তখন প্রেম বলে যে জিনিসটা আছে, সেটা যেন বইয়ের ভেতর থেকে একটু একটু করে উঠে এসে হাত ছুঁয়ে দেখা যাচ্ছে, তারা দুজনেই পড়ুয়া, দুজনেই একটু বেশি জানে, একটু বেশি ভাবে, আর মাথায় সেই তীক্ষ্ণ কাপড়ের টুপি—Los Cachuchas—যেন একরকম বিদ্রোহ, নিজের শরীরকে নিজের মতো করে পরা, নিজের মতো করে বাঁচা।
প্রেমের চিঠি
মেক্সিকোর সেই স্কুলটায় দুই হাজার ছাত্র, তাদের ভেতরে মাত্র পঁয়ত্রিশটা মেয়ে, সেই সংখ্যার ভেতরে দাঁড়িয়ে থাকা একটা শরীর, একটা কণ্ঠ, একটা চোখ, যাকে তখনও কেউ ইতিহাস বলে ডাকে নি—ফ্রিদা কাহলো। পনেরো বছর বয়সে যখন আলেহান্দ্রো গোমেস আরিয়াসের সঙ্গে প্রথম দেখা, তখন প্রেম বলে যে জিনিসটা আছে, সেটা যেন বইয়ের ভেতর থেকে একটু একটু করে উঠে এসে হাত ছুঁয়ে দেখা যাচ্ছে, তারা দুজনেই পড়ুয়া, দুজনেই একটু বেশি জানে, একটু বেশি ভাবে, আর মাথায় সেই তীক্ষ্ণ কাপড়ের টুপি—Los Cachuchas—যেন একরকম বিদ্রোহ, নিজের শরীরকে নিজের মতো করে পরা, নিজের মতো করে বাঁচা।