তাইওয়ানকে নিয়ে লেখা বহু উপন্যাস আছে, উপনিবেশবাদ নিয়েও অসংখ্য বই লেখা হয়েছে, কিন্তু ‘তাইওয়ান ট্রাভেলগ’ নিয়ে কথা বলতে গেলে শুরুতেই যে জিনিসটি আলাদা করে চোখে পড়ে, সেটি গল্পের কাহিনি নয়, বরং তার দেখার পদ্ধতি। বইটি পৃথিবীকে এমনভাবে ধরে রাখে যেন কেউ তাড়াহুড়ো করে জীবন পার করছে না, বরং হাতে খাতা-পেন্সিল নিয়ে বসেছে। কোথায় কোন বাটি bí-thai-bàk খাওয়া হলো, কোন kam-á-bit মুখে তোলা হলো, কে কোন লোককথা বলল, কারা বসে পাশা খেলল, সেসবের এত সূক্ষ্ম রেকর্ড রাখা হয়েছে যে পড়তে পড়তে মনে হয় আমরা উপন্যাস পড়ছি না, যেন এক ধরনের সাংস্কৃতিক মানচিত্রের ভেতর হাঁটছি। প্রতিটি খাবার, প্রতিটি উচ্চারণ, প্রতিটি ছোট সামাজিক আচার যেন শুধু বর্ণনা নয়, একটি সময়ের শরীর থেকে উঠে আসা তথ্য।
বুকারজয়ী উপন্যাস ‘তাইওয়ান ট্রাভেলগ’ পাঠ
তাইওয়ানকে নিয়ে লেখা বহু উপন্যাস আছে, উপনিবেশবাদ নিয়েও অসংখ্য বই লেখা হয়েছে, কিন্তু ‘তাইওয়ান ট্রাভেলগ’ নিয়ে কথা বলতে গেলে শুরুতেই যে জিনিসটি আলাদা করে চোখে পড়ে, সেটি গল্পের কাহিনি নয়, বরং তার দেখার পদ্ধতি। বইটি পৃথিবীকে এমনভাবে ধরে রাখে যেন কেউ তাড়াহুড়ো করে জীবন পার করছে না, বরং হাতে খাতা-পেন্সিল নিয়ে বসেছে। কোথায় কোন বাটি bí-thai-bàk খাওয়া হলো, কোন kam-á-bit মুখে তোলা হলো, কে কোন লোককথা বলল, কারা বসে পাশা খেলল, সেসবের এত সূক্ষ্ম রেকর্ড রাখা হয়েছে যে পড়তে পড়তে মনে হয় আমরা উপন্যাস পড়ছি না, যেন এক ধরনের সাংস্কৃতিক মানচিত্রের ভেতর হাঁটছি। প্রতিটি খাবার, প্রতিটি উচ্চারণ, প্রতিটি ছোট সামাজিক আচার যেন শুধু বর্ণনা নয়, একটি সময়ের শরীর থেকে উঠে আসা তথ্য।