বিশ শতকের প্রথম কয়েক দশকে বাংলার মুসলমান, বিশেষ করে ক্রমশ গড়ে ওঠা মুসলমান মধ্যবিত্ত, নিজেকে ঠিক কোথায় দাঁড় করাবে, এই প্রশ্ন নিয়ে এক দীর্ঘ অস্থিরতার মধ্যে ছিল।
এক লেখায় ইতিহাস এমন স্পষ্ট ভাবে তুলে এনে বাংলাদেশের আত্মপরিচয়ের যে ব্যাখ্যা লেখক তুলে ধরলেন খুব সম্ভব তা সত্যিই অতুলনীয়। একটি মাত্র ঘটনা দিয়ে বিচার না করে ধারাবাহিক ঘটনার সাথে তুলনার একটি অনুসন্ধান।
হিন্দুদের এই দোটানাটা নেই। হিন্দুরা যে এলাকার বা যে সংস্কৃতির মধ্যে বড় হয় সেটাই তার পরিচয় বহন করে। বাংলাভাষী হিন্দু যেমন জল, পিশি , দিদিমা বলে আবার হিন্দীভাষীরা পানি, বুয়া, নানী-এসব বলে। বাঙালি ভাবে না যে পানি সংস্কৃত শব্দ, তাই আমরা পানি বলবো। আমার মনে হয়, হিন্দুদের মধ্যে ভাষা বা সংস্কৃতি নিয়ে কোনো আইডেনটিটি ক্রাইসিস নেই, তাই তারা ভাষাকে বা সংস্কৃতিকে ধর্মের সাথে মিলিয়ে ফেলে না।
এক লেখায় ইতিহাস এমন স্পষ্ট ভাবে তুলে এনে বাংলাদেশের আত্মপরিচয়ের যে ব্যাখ্যা লেখক তুলে ধরলেন খুব সম্ভব তা সত্যিই অতুলনীয়। একটি মাত্র ঘটনা দিয়ে বিচার না করে ধারাবাহিক ঘটনার সাথে তুলনার একটি অনুসন্ধান।
হিন্দুদের এই দোটানাটা নেই। হিন্দুরা যে এলাকার বা যে সংস্কৃতির মধ্যে বড় হয় সেটাই তার পরিচয় বহন করে। বাংলাভাষী হিন্দু যেমন জল, পিশি , দিদিমা বলে আবার হিন্দীভাষীরা পানি, বুয়া, নানী-এসব বলে। বাঙালি ভাবে না যে পানি সংস্কৃত শব্দ, তাই আমরা পানি বলবো। আমার মনে হয়, হিন্দুদের মধ্যে ভাষা বা সংস্কৃতি নিয়ে কোনো আইডেনটিটি ক্রাইসিস নেই, তাই তারা ভাষাকে বা সংস্কৃতিকে ধর্মের সাথে মিলিয়ে ফেলে না।