থিও বেকারের How to Rule the World পড়ে শেষ করলাম। নন-ফিকশন হলেও যেকোন থ্রিলারের চেয়ে কম নয়। বেকার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গল্প করেছেন। সিলিকন ভ্যালির গল্প একসময় ছিল গ্যারেজের গল্প। অল্পবয়সী কিছু ছেলে-মেয়ে, সারারাত জেগে কোড লিখছে, সস্তা পিৎজার বাক্স জমে আছে টেবিলে, পৃথিবী বদলে দেওয়ার স্বপ্নে চোখ লাল হয়ে আছে। সেই গল্প আমেরিকান কল্পনার ভেতরে প্রায় পৌরাণিক জায়গা পেয়ে গিয়েছিল। যেমন আগে “ওয়াল স্ট্রিট” ছিল লোভ, কর্পোরেট ষড়যন্ত্র আর অর্থনৈতিক দানবের সংক্ষিপ্ত নাম, তেমনি গত এক দশকে “বিগ টেক” ধীরে ধীরে আরেক ধরনের ভয়ের নাম হয়ে উঠেছে। কারণ শুধু প্রযুক্তির বিস্তার নয়, ক্ষমতারও বিস্তার ঘটেছে। আর ক্ষমতা যখন এক জায়গায় জমতে থাকে, তখন তার চারপাশে সবসময়ই কিছু অন্ধকার অঞ্চল তৈরি হয়।
How to Rule the World
থিও বেকারের How to Rule the World পড়ে শেষ করলাম। নন-ফিকশন হলেও যেকোন থ্রিলারের চেয়ে কম নয়। বেকার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গল্প করেছেন। সিলিকন ভ্যালির গল্প একসময় ছিল গ্যারেজের গল্প। অল্পবয়সী কিছু ছেলে-মেয়ে, সারারাত জেগে কোড লিখছে, সস্তা পিৎজার বাক্স জমে আছে টেবিলে, পৃথিবী বদলে দেওয়ার স্বপ্নে চোখ লাল হয়ে আছে। সেই গল্প আমেরিকান কল্পনার ভেতরে প্রায় পৌরাণিক জায়গা পেয়ে গিয়েছিল। যেমন আগে “ওয়াল স্ট্রিট” ছিল লোভ, কর্পোরেট ষড়যন্ত্র আর অর্থনৈতিক দানবের সংক্ষিপ্ত নাম, তেমনি গত এক দশকে “বিগ টেক” ধীরে ধীরে আরেক ধরনের ভয়ের নাম হয়ে উঠেছে। কারণ শুধু প্রযুক্তির বিস্তার নয়, ক্ষমতারও বিস্তার ঘটেছে। আর ক্ষমতা যখন এক জায়গায় জমতে থাকে, তখন তার চারপাশে সবসময়ই কিছু অন্ধকার অঞ্চল তৈরি হয়।