নানা কথা বলে লোকজন। কারও মতে এটা সরকারের নতুন নীতির পরিণতি। কারও বিশ্বাস, এ এক অলৌকিক শক্তির খেলা। আসলে এই নিস্তব্ধতার পর্দার আড়ালে আছে আরও এক গভীর সত্য। এমন এক গল্প, যা অতল অন্ধকারের বুক চিরে আমাদের
গল্পটি পড়লাম রিটনবাবু। আমার ভালো লেগেছে। অনেক কিছুই আজকাল রাস্তায় গাড়ির হাওয়ায় উড়তে থাকা বাতিল প্লাস্টিকের মতো বোধহয়— শুনতাম আমাদের মায়েদের সময়ে তারা অন্য বন্ধুদের বাড়ি থেকে ধার করে এনে গল্প উপন্যাস পড়তো, এখন সেসব অতীত। আমি যেখানে থাকি সেই ডুয়ার্সে— অনেক বইয়ের দোকানই আর সিলেবাসের বাইরের বই রাখা বন্ধ করে দিয়েছে, একটা পত্রিকার দোকান দেখলাম পাল্টে মুড়ি বিক্রির দোকান হয়ে গেছে, আর একটা দোকান যেখানে দেশ সহ নানা পত্রিকার বিক্রি হতো, কাপড়ের দোকানে বদলে গেছে। ভদ্রলোক দোকানের বাইরে কয়েক ঘণ্টা পত্রিকা বিক্রি করে চলে যান। নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের একটি গল্প পড়েছিলাম 'ভাঙা চশমা'— সেই দুর্ভিক্ষ দেশভাগের পটভূমিতে, সেখানকার শিক্ষার্থীহীন পাঠশালার মাস্টারমশাই অভ্যাসবশত একা-একাই আর্টিকেল প্রিপজিশন পড়াচ্ছেন, এই কালান্তরের সময়ে বই বিশেষ করে সাহিত্য-দর্শন যেন ক্রমাগত ধুলো জমে পড়া এক অতীত সময়ের গাঁথা হয়ে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। এই ক্ষয় অরুর মতো আমরাও অনুভব করি।
গল্পটি পড়লাম রিটনবাবু। আমার ভালো লেগেছে। অনেক কিছুই আজকাল রাস্তায় গাড়ির হাওয়ায় উড়তে থাকা বাতিল প্লাস্টিকের মতো বোধহয়— শুনতাম আমাদের মায়েদের সময়ে তারা অন্য বন্ধুদের বাড়ি থেকে ধার করে এনে গল্প উপন্যাস পড়তো, এখন সেসব অতীত। আমি যেখানে থাকি সেই ডুয়ার্সে— অনেক বইয়ের দোকানই আর সিলেবাসের বাইরের বই রাখা বন্ধ করে দিয়েছে, একটা পত্রিকার দোকান দেখলাম পাল্টে মুড়ি বিক্রির দোকান হয়ে গেছে, আর একটা দোকান যেখানে দেশ সহ নানা পত্রিকার বিক্রি হতো, কাপড়ের দোকানে বদলে গেছে। ভদ্রলোক দোকানের বাইরে কয়েক ঘণ্টা পত্রিকা বিক্রি করে চলে যান। নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের একটি গল্প পড়েছিলাম 'ভাঙা চশমা'— সেই দুর্ভিক্ষ দেশভাগের পটভূমিতে, সেখানকার শিক্ষার্থীহীন পাঠশালার মাস্টারমশাই অভ্যাসবশত একা-একাই আর্টিকেল প্রিপজিশন পড়াচ্ছেন, এই কালান্তরের সময়ে বই বিশেষ করে সাহিত্য-দর্শন যেন ক্রমাগত ধুলো জমে পড়া এক অতীত সময়ের গাঁথা হয়ে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। এই ক্ষয় অরুর মতো আমরাও অনুভব করি।
আপনার মতো এই ব্যাথা আমারও। সেই বেদনা থেকেই অরুর গল্পের সৃষ্টি। সময় নিয়ে পড়েছেন, ধন্যবাদ।