ভারতীয় সমাজে জাতপাতের বাস্তবতা আজও বিলুপ্ত হয়নি। স্বাধীনতার পর ১৯৫১ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম জনগণনার সময় কেন্দ্রীয় সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় যে, সাধারণ জনগণের জাতিগত পরিচয় আর পৃথকভাবে নথিভুক্ত করা হবে না। এই সিদ্ধান্তের ব্যতিক্রম ছিল তফসিলি জাতি ও তফসিলি জনগোষ্ঠী; পরবর্তী প্রতিটি জনগণনায় তাদের তথ্য সংগ্রহ অব্যাহত থাকে। অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির ক্ষেত্রে দীর্ঘকাল নির্ভর করা হয়েছে ১৯৩১ সালের ব্রিটিশ শাসনামলের জনগণনার ওপর। সেই পুরোনো পরিসংখ্যানকে ভিত্তি করেই পরবর্তীকালে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির জন্য ২৭ শতাংশ সংরক্ষণ নির্ধারিত হয়। ১৯৯০ সালে ভি.
আপনার বিশ্লেষণধর্মী লেখাগুলো খুব সুন্দরভাবে সহজবোধ্য করে তোলেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
বেশ স্পষ্ট বিশ্লেষণ। ভালো লেগেছে।ধন্যবাদ